মোঃ রোকনুজ্জামানের কবিতা
রক্তবর
মোঃ রোকনুজ্জামান
আজি এই তব্দ উর্মিষ্ঠ সমীক্ষণে,
কে বাঁজিয়ে যায়, পুরোনো সেই মাতাঁল টাকে?
তবে কি তব্দ, বিনিদ্র, তন্দ্রাই তোর নেশা?
যেখানে, সাঁত শকুনের দল ছিঁড়ে খেয়েছে পুরোনো সেই অতীতটা।
বিষন্ন প্রান্তর, ধুধু সেই আকঁড়
কাল বৈশাখীর ক্ষণ পশরায়,
উচ্ছিষ্ঠ সেই রণতরীর মহাপ্রান্তর।
ক্ষনে ক্ষনে আসে প্রলয়; জীবন তরীর মহা সংশয়।
তব কি প্রকোষ্ঠ সেই আধাঁর?
খুল তবে রণঘর, বিষাদ বহিয়া রক্তবর
ভেঙ্গেছে যে ঘর, স্বপ্ন হয়েছে পর।
মৃত্যুর কাপনে জড়াজীর্ণ, অক্ষি অন্তরীক্ষ।
পিতামহের ইপ্সা, অলিক ছাড়িয়া
বিধ্বস্ত আজি তমিস্রার প্রকোষ্ঠ।
প্রসূতির ক্রনদন বিমূর্ষ আয়োজন।
মৃত্যুর দাফনে সর্বহারা প্রিয়জন।
সীমান্তনীর বিবাদে কূল বিধেছে পিঠে।
অঙ্গনা ফণাধরে, নিঃশ্বেস করেছে মোরে।
তবে কি, এই কঠিণ স্রোতে ভাসবে না তরী?
নাকি এই প্রলয় কাষ্টে ভেসে যাবে স্বপ্ন তরী!
শত লঙ্কার নির্ভীক আভায় জ্বালিয়ে অগ্নি,
পুড়ে ছারকার করে দিবো, অতীতের যত গ্লানি।
আজি এই সংকটের উর্মিষ্ঠ ক্ষনে
বাজাও তবে অগ্নি শিখার তরী।
কাঙালি
মোঃ রোকনুজ্জামান
যে পথ ধুলোয় মিশেছে,
শত কাঙালের চাহনিতে।
সে পথ কবেই ছেড়েছি,
বিষাদ বহিয়া অনলে।
চলেছি কেবল যাযাবরের
হাল ধরে, পাল তুলে বিষাদে।
তিক্ততার পাহাড় জমেছে
মোর ভাঙ্গনের হৃদয় জুড়ে।

Comments
Post a Comment